21 C
Kolkata
21 C
Kolkata
সোমবার, নভেম্বর 29, 2021

Crime File : আজকের ক্রাইম গল্প – নীহারিকা ( অংশ ১ )

SC 1 – Night- একটা বাড়ির ভিতর

প্রথমেই দেখা যায় একটা gloves পড়া হাত একটা ধারালো ছুরি অন্য একটা হাতে হ্যান্ড ওভার করলো। একটি মেয়ে এন্ট্রি নেয় লোকটার মুখ দেখা যায় না, মেয়েটির(27 28age) মুখ পরিষ্কার বোঝা যায়, মেয়েটি বলে আমাকে ডেকে ছিলেন স্যার? ছুরি টা হাতে দিয়ে বলবে – ‘মাল টা আজ রাতেই যেন খতম হয়।’লোকটা ১ বান্ডিল টাকা দেয় , মেয়েটি হেসে বলে আপনার কাজ টা হয়ে গেছে ধরে নিন।

একটি নির্জন রাস্তা দিয়ে একটি মেয়ে দৌড়ে যাচ্ছে লুকিয়ে পড়েছে পিছন পিছন খুনি ও আসতে থাকে মেয়েটির মুখ পরিষ্কার খুনির মুখ দেখা যায় না ,মেয়েটির মুখ টিপে গলা তে চুরি চালিয়ে দেয়।

SC 2 day অন্য একটা বাড়ির drawing room
দুটো ছোটো ছোটো বাচ্ছা নিজেদের খাতায় বসে আঁকিবুকি কাটছে। শাড়ির আঁচল ঠিক করতে করতে ঢোকে নীহারিকা-যে মেয়েটি রাস্তা দিয়ে দউরাচ্ছিল (28 29 age) । নীহারিকা জিজ্ঞেস করে যে টাস্ক টা দিয়েছে সেটা তারা শেষ করেছে কিনা এইসব বলতে বলতে এসে পড়ে নীহারিকার স্বামী বিবেক অফিস থেকে এসে হাজির হয়। নীহারিকার দিকে বিরক্তিকর ভাবে তাকায়। সোফা তে এসে বসে চিৎকার করতে থাকে বাচ্চা দুটোর সামনে,  নীহারিকা কি করবে ভেবে উঠতে পারে না কোনো কিছু। সেই সময়ে বাচ্চা দুটোর গার্জেন এসে যায় নীহারিকা দুজন কে বাড়ি পাঠিয়ে দেয় আর কাল সময় মত চলে আসতে বলে।
বিবেক আবারো বলতে থাকে আমি চাকরি করছি তা সত্ত্বেও তোমাকে টিউশন করতে হবে, নীহারিকা বিবেকের ক্লোজ আসে আর বলে আরে বাবা এটা তো আমার শখ রাগ করছো কেন? এই বলে স্বামীর আরো ক্লোজ আসতে চায় বিবেক ধাক্কা দিয়ে নীহারিকা কে ছুড়ে ফেলে দেয় সোফা তে আর নিজের রুমে চলে যায়।

SC 3 বিবেকের bed room night
বিবেক ল্যাপটপ এ কাজ করে বেড এ বসে নীহারিকা পাশে বসে বিবেকের সাথে ইন্টিমেট হবার চেষ্টা করে। বিবেক আবারো নীহারিকা কে সরিয়ে দেয় নীহারিকা বিরক্ত হয়ে জানতে চায় বিবেকের কাছে যে সে তো তাকে ভালোবেসে বিয়ে করেছে ৬ মাস ও হয়নি কেন তার সাথে এরকম ব্যবহার করছে।বিবেক বলে তার কাজের অনেক প্রেসার আছে এখন এইসব করবার মতো সময় নেই। নীহারিকা কষ্ট পায় চোখের কোণ জলে ভোরে যায় মুখ ঘুরিয়ে শুয়ে পড়ে।

SC 4 রাস্তা day
পুলিশের গাড়ি ছুটছে একটা অপরাধীর গাড়ির পিছনে গুলি চলতে থাকে এমন সময়ে ইন্সপেক্টর শৈবাল মিত্র তাক করে টায়ার এ গুলি করে, টায়ার পাংচার হয়ে যায়। এরপর গাড়ি থেকে নেমে সানগ্লাস খুলে অপরাধী দের ধরে আর বলে চল অনেক দৌড় করিয়েছিস এবার শান্তি মনে জেলের হাওয়া খাবি চল বলে টেনে এক থাপ্পড় মারে ।

SC 5 পুলিশ স্টেশন day
অপরাধীকে লকাপের ভিতরে ঢোকায়। একজন কনস্টেবল বলে ওঠে স্যার আপনার জবাব নেই এই গ্যাং টা পুলিশ টিম কে একেবারে নাকে দড়ি দিয়ে ঘোরাচ্ছিল। আপনি না এলে কেস সল্ভ হতো না। ভাগ্যিস হেড অফিস থেকে আপনাকে পাঠাল, আপনার মত সৎ আর সাহসী ইন্সপেক্টর এর বড়ই অভাব এখানে। শৈবাল মিত্র হালকা হেসে টেবিল এর ওপর একটি চিঠি পায়। তাতে লেখা থাকবে gallantry awards দিয়ে সম্মানিত করা হবে শৈবাল মিত্রকে।

SC 6 award function night
শৈবাল মিত্রকে gallantry award দেওয়া হয়, শৈবালের বউ অনামিকাকে অতোটা খুশি দেখায় না। টেনশনের ছাপ চোখে মুখে ।

SC 7 গাড়ি- রাস্তা নাইট
শৈবাল জিজ্ঞেস করে অনামিকাকে কি হয়েছে? অনামিকা বলে তুমি তো ঠিক আছো কিন্তু তোমার ছেলে কিন্তু দিন কে দিন বিগরে চলেছে । রাত ভোর পার্টি বন্ধু এসব ছাড়া ওর আর কিছু নেই। পড়াশোনা সব একেবারে লাটে উঠে গেছে। শৈবাল বলে চিন্তা করো না ওর একটা টিচার এর প্রয়োজন আর ভালো টিচারের খোঁজ পেয়ে গেছি কাল গিয়ে কথা বলে নেবো।

SC 8 day Niharikar বাড়ি
ডোরবেল বাজে নীহারিকা এসে দরজা খোলে শৈবাল তার ছেলে রক্তিম(19 20 age) এসেছে, নীহারিকা দরজা খুলে ওবাক হয় চিনতে পারে না । শৈবাল বলে রক্তিম এর পড়াশোনার বিষয়ে কথা বলতে এসেছি । আপনি পড়ান তাই আপনি যদি কিছু সাবজেক্ট দেখিয়ে দেন খুব ভালো হবে…নীহারিকা রাজি হয় আগামী কাল চলে আসার কথা বলে। রক্তিম নীহারিকার দিকে প্রথম দিন থেকে লোলুপ দৃষ্টি তে তাকিয়ে থাকে।

SC 9 night রাস্তা গাড়ি
বিবেক ফোন করে নীহারিকাকে বলে দেয় আজকে রাতে সে ফিরতে পারবে না তার ইম্পরট্যান্ট মিটিং আছে US ক্ল্যায়েন্টের সাথে ,তাই রাতে ফেরা মুশকিল। নীহারিকা সন্দেহ করে কিন্তু মুখে কিছু বলে না।

SC 10 দীপ্তির bedroom
দীপ্তি বিবেক এর শার্ট খুলতে থাকে কিস করতে থাকে তারপর ইন্টিমেট হয় । বিছানায় শোয়ানোর পর দীপ্তির মুখ স্পষ্ট বোঝা যায়। এরপর বিছানায় শুয়ে কথা বলে। বিবেক দীপ্তির মাথায় হাত বোলায় দীপ্তি বলতে থাকে দেখো তুমি নীহারিকার সাথে কথা বলো আমার কেউ নেই তুমি ছাড়া আমি তোমাকে ভালোবাসি বিবেক তোমাকে ছাড়া বাঁচতে পারবো না। আমরা বিয়ে করে সারা জীবনের মত এক হতে চাই। বিবেক টেনশনে এ পরে যায় বলে আমি নীহারিকাকে আমার কাছে ঘেঁসতেই দি না। তুমি চিন্তা করো না, আসলে মাত্র ৬ মাস হল আমাদের বিয়ে হয়েছে তার মধ্যে তুমি এসে পড়েছ আমার লাইফ এ । আমি কি করি আমাকে একটু টাইম দাও I will try to manage।

SC 11 Niharika র বাড়ি day
নীহারিকা রক্তিম কে পড়াতে থাকে রক্তিম পড়াশোনাতে মন না দিয়ে নীহারিকার ঠোঁট চোখের দিকে তাকিয়ে থাকে চোখ ফেরাতে পারে না ঠিক তখনই দরজা খোলার আওয়াজ এ রক্তিম এর হুঁশ আসে বিবেক এসে ঢোকে। বিবেক সন্দেহ জনক ভাবে রক্তিম এর দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে নিজের রুম এ ঢোকে। নীহারিকা রক্তিম কে টাস্ক দিয়ে নিজের রুমে যায় ।

SC 12 বিবেকের bed room
নীহারিকা অশান্তি করে, কাল সারা রাত কোথায় ছিলে ? বিবেক চিৎকার করে বলে বলেই তো ছিলাম মিটিং রয়েছে। নীহারিকা বলে মিটিং ছিল তাহলে তাহলে গলার কাছে লাভ বাইট এর দাগ কে দিলো ক্লায়েন্ট ? সত্যি বল কোথায় ছিলে? বিবেক এক চড় মারে নীহারিকাকে। নীহারিকা বিছানায় পড়ে যায় ঠোঁটের কোন থেকে রক্ত বের হয় আর এসব দরজার ফাঁক থেকে রক্তিম দেখতে থাকে আর মজা পেতে থাকে। বিবেক গলা টিপে ধরে নীহারিকাকে আর বলে ভবিষ্যতে আমার বিষয়ে যদি ইন্টারফেয়ার করো এর থেকে খারাপ হাল করব। বলে বেরিয়ে যায় । নীহারিকা কাঁদতে থাকে বিছানা তে শুয়ে।

SC 13 day Niharika র বাড়ি
নীহারিকা রক্তিম কে পড়ায়, ঠোঁটের কোণে কালসিটে দাগ নীহারিকার মুড অফ, রক্তিম হা করে দেখে, ঠোঁটের কাছে হাত দিতে যায় নীহারিকা চমকে হাত সরিয়ে দেয়। রক্তিম বলতে থাকে খুব ব্যথা হয়েছে ম্যাডাম ? নীহারিকা ইগনোর করে ডাইনিং স্পেস এ গিয়ে কাজ করতে থাকে রক্তিম পিঠ কোমরের খোলা পার্ট গুলো দেখতে থাকে চোখ বুজে ফেলে । ইমাজিন করতে থাকে রক্তিম নীহারিকার কাছে গেল কোমর ধরে টেনে ইন্টিমেট হল । কল্পনা থেকে বেরিয়ে রক্তিম নীহারিকার কাছে গিয়ে কোমর চেপে ধরতেই নীহারিকা ঘুরে রক্তিম জোরে থাপ্পড় মারে। রাগে রক্তিম নীহারিকাকে রেপ করে।

SC 14 night পুলিশ স্টেশন
নীহারিকা বিধ্বস্ত অবস্থায় থানায় আসে মনে জোর নিয়ে বলে আমি কমপ্লেইন করতে এসেছি। কনস্টেবল বসতে বলে জল খেতে বলে, এরপর জিজ্ঞেস করে কার নামে কমপ্লেইন করতে এসেছেন ? নীহারিকা বলে রক্তিম মিত্র ওর বাবার নাম শৈবাল মিত্র, কনস্টেবল এর হাত থেকে পেন পরে যায় ভয়ে চোখ মুখ শুকিয়ে যায়। ভয়ে থানার ওসি মিতা রায় এর কাছে যায় গিয়ে সব বলে মিতা শুনে নীহারিকা র কাছে যায় আর জিজ্ঞেস করে আপনি ঠিক বলছেন তো শৈবাল মিত্রর ছেলে রক্তিম মিত্র আপনাকে ধর্ষণ করেছে ? নীহারিকা বলেন হাঁ।
কিন্তু ম্যাডাম আপনার এই কমপ্লেইন তো নিতে পারবোনা এই তর্ক বিতর্ক চলতে থাকে এরই মধ্যে দেখা যায় শৈবাল মিত্রের এন্ট্রি উনি বলে ওঠেন এই কমপ্লেইন নিতে হবে। নীহারিকা অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে শৈবাল মিত্রের দিকে, নীহারিকা জানতো না যে রক্তিম এর বাবা একজন দুঃসাহসী পুলিশ অফিসার।রক্তিম এর এগেন্সটে কেস নেওয়া হয়।

SC 15 শৈবাল মিত্রের বাড়ি day
শৈবাল মিত্রের বাড়িতে পুলিশ এর জিপ ঢোকে। রক্তিম পালাতে যায় পুলিশ এর হাতে ধরা পড়ে। রক্তিম এর মা কান্নাকাটি করতে থাকে।

SC 16 Niharika r বাপের বাড়ি day
নীহারিকা তার বিধবা মা এর কাছে বসে কাঁদতে থাকে তার পরিণতির জন্য নিজের ভাগ্যকে দোষ দেয় কাউকে দোষ দিতে চায় না । বিবেক ঢোকে নীহারিকাকে প্রচণ্ড বাজে বাজে কথা শোনায়। নীহারিকা আর সহ্য করতে পারে না বিবেকের ওপর প্রচণ্ড জোর চিৎকার করে বলে চলে যাও আমার বাড়ি থেকে আমার জীবন থেকে তোমার কিছু আমার দরকার নেই। বিবেক বেরিয়ে যায় নীহারিকা কান্নাকাটি করতে থাকে।

SC 17 day Niharika র বাড়ি
বেশ কিছু দিন পর
বিবেকের বেড রুম এ বিবেক আর দীপ্তি কে ইন্টিমেট অবস্থায় দেখা যাবে। সেই মুহূর্তে নীহারিকা দরজা খুলে ঢোকে অবাক হয়ে যায় দুজন কে এই অবস্থায় দেখে বলতে থাকে এত দিন সন্দেহ করতাম আজ সিওর হয়ে গেলাম ভালো করছো যা করছো আমি তো আমার সার্টিফিকেট নিতে এসেছিলাম আমার দায়িত্ব আমাকে নিজেকে নিতে হবে। শুধু এটুকু মনে রেখো এখনও কিন্তু আমরা আইনত স্বামী স্ত্রী যা করবার বুঝে করো।
বিবেক বিছানা থেকে রেগে উঠে পড়ে গাল টা টিপে ধরে বলে বেশী আমার সঙ্গে চালাকি করতে আসলে একেবারে জানে মেরে ফেলব বেরিয়ে যা এখান থেকে। Niharika কাঁদতে কাঁদতে বেরিয়ে যায়। দীপ্তি বলতে থাকে এই নীহারিকাকে আমাদের পথ থেকে সরাতেই হবে। বিবেক বলে আমি যা ভাবার ভেবে রেখেছি।

বাকি অংশ আগামী পর্বে ………………………………

 

- Advertisement -spot_img

Latest news

- Advertisement -spot_img

Related news

- Advertisement -spot_img

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

%d bloggers like this: